যীশু কি ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন?

যদিও কুরআন খ্রিস্টের নির্যাতনমূলক মৃত্যুদণ্ডকে অস্বীকার করেছে তবে তা যীশুর সময়ের ধর্মনিরপেক্ষ ও ধর্মীয় সমসাময়িক দ্বারা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বর্তমান ঘটনাগুলোর এই সাংবাদিকরা মূলত খ্রিস্টান ছিলেন না বা তারা কারণ বা দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং কিছু ক্ষেত্রে তারা যীশু এবং তার অনুগামীদের ব্যক্তিত্ব ও কাজের বিরোধি বা প্রতিকূল ছিলেন।

বাইবেলের বাইরে ক্রুশবিদ্ধকরণের উপরে প্রথম উল্লেখ হল প্রথম শতাব্দীর রোমান ঐতিহাসিক কর্নেলিয়াস ট্যাসিটাস যিনি আনালস চতুর্দশ, ৪৪ এ নথিভুক্ত করেছিলেন যে খ্রিস্টের মৃত্যুর আদেশ পন্টিয়াস পীলাত করেছিলেন যিনি জুডিয়ার অধ্যক্ষ ছিলেন।

আরেকজন প্রথম শতাব্দীর ঐতিহাসিক হলেন ফ্ল্যাভিয়াস জোসেফাস যিনি খ্রিস্টকে ক্রুশের কাছে নিন্দিত বলে উল্লেখ করেছিলেন যা পুরানো প্রত্যাখ্যান অষ্টাদশ ৩৩ এ লিপিবদ্ধ রয়েছে।

এরপরে সামোসেটের লুসিয়ান রয়েছেন যিনি ছিলেন একজন গ্রীক ব্যঙ্গাত্মক যিনি খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধকরণের বিষয়ে “পেরেজ্রিনের মৃত্যু, ১১-১৩” এ উল্লেখ করেছিলেন।

অবশেষে ব্যাবিলনীয় তালমুদ যা যীশুকে যাদুকর হিসাবে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করেছিল, ইঙ্গিত দেয় যে যীশুকে “ফাঁসি” দেওয়া হয়েছিল যা ক্রুশবিদ্ধকরণের সমার্থক এবং সানহেড্রিন ৪৩ক ট্র্যাক্টে পাওয়া যায়।

অবশেষে ব্যাবিলনীয় তালমুদ, যীশুকে যাদুকর হিসাবে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করেছিল, ইঙ্গিত দেয় যে যীশুকে “ফাঁসি” দেওয়া হয়েছিল যা ক্রুশবিদ্ধার সমার্থক এবং সানহেড্রিন ৪৩ এ ট্র্যাক্টে পাওয়া যায়।

তাহলে কুরআন যা ঘটনাটির আটশ বছর পরে সংকলিত হয়েছিল তা কি বিষয়ের সত্যকে ধারণ করে বা বিশ্বাসযোগ্য ইতিহাসবিদ ও প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিরপেক্ষ দাবীগুলোর আসল ঘটনা বলে?

মশীহের মৃত্যুর সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে ইসলামী চিন্তাভাবনা যে সমস্যা করেছে তা হল ক্রুশ নামক বিষয় বাস্তবায়িত করার নিমিত্তে দুষ্ট মানুষের জন্য উৎসর্গ করা একটি ধার্মিক জীবনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত প্রশ্ন।

তবুও এই আইন পাপের জন্য মুক্তিপণ বা অর্থ প্রদান হিসাবে কাজ করেছিল যার উদ্দেশ্য লেবীয় পুস্তক ১৭:১১ পদে প্রথম চুক্তির আইনের অধীনে তার ভিত্তি স্থাপনের চিরন্তন তাৎপর্য ছিল যা বলে ১১কারণ জীবের প্রাণ রক্তের মধ্যে নিহিত এবং আমি তোমাদের প্রায়শ্চিত্তের জন্য তা বেদীর উপরে সিঞ্চন করার নির্দেশ দিয়েছি। রক্তের মধ্যে প্রাণ থাকার জন্যই তা প্রায়শ্চিত্ত করতে পারে।

মোশির চুক্তির অধীনে কোরবানি ঈশ্বরের সাথে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দোষী পক্ষের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বিনিময় হিসাবে নিরীহ শিকারের মৃত্যুর সাথে যুক্ত হওয়ার উপাসনা হিসাবে উপাসকের পক্ষে প্রদত্ত একধরণের প্রতিস্থাপূর্ণ প্রায়শ্চিত্ত হিসাবে দেওয়া হয়েছিল।  এটি একটি আদিম অনুশীলন বলে মনে হতে পারে তবে এটি একটি চূড়ান্ত ত্যাগের চিত্রিত এবং পূর্বসূরিত যা একদিন চিরতরে এবং সকলের জন্য দেয়া হবে।

ভাববাদী যিশাইয় ৫৩ অধ্যায়ে পরিপূর্ণতা হিসাবে এই বলিদান সমাবস্থার মসীহের কথা বলেন।

১আমরা যাহা শুনিয়াছি, তাহা কে বিশ্বাস করিয়াছে?

সদাপ্রভুর বাহু কাহার কাছে প্রকাশিত হইয়াছে?

২কারণ তিনি তাঁহার সম্মুখে চারার ন্যায়,

এবং শুষ্ক ভূমিতে উৎপন্ন মূলের ন্যায় উঠিলেন;

তাঁহার এমন রূপ কি শোভা নাই যে, তাঁহার প্রতি দৃষ্টিপাত করি,

এবং এমন আকৃতি নাই যে, তাঁহাকে ভালবাসি। 

৩তিনি অবজ্ঞাত ও মনুষ্যদের ত্যাজ্য,

ব্যথার পাত্র ও যাতনা  পরিচিত হইলেন;

লোকে যাহা হইতে মুখ আচ্ছাদন করে,

তাহার ন্যায় তিনি অবজ্ঞাত হইলেন,

আর আমরা তাঁহাকে মান্য করি নাই।

৪সত্য, আমাদের যাতনা সকল তিনিই তুলিয়া লইয়াছেন,

আমাদের ব্যথা সকল তিনি বহন করিয়াছেন;

তবু আমরা মনে করিলাম,

তিনি আহত, ঈশ্বরকর্তৃক প্রহারিত ও দুঃখার্ত।

৫কিন্তু তিনি আমাদের অধর্মের নিমিত্ত বিদ্ধ,

আমাদের অপরাধের নিমিত্ত চূর্ণ হইলেন;

আমাদের শান্তিজনক শাস্তি তাঁহার উপরে বর্তিল,

এবং তাঁহার ক্ষত সকল দ্বারা আমাদের আরোগ্য হইল।

৬আমরা সকলে মেষগণের ন্যায় ভ্রান্ত হইয়াছি,

প্রত্যেকে আপন আপন পথের দিকে ফিরিয়াছি;

আর সদাপ্রভু আমাদের সকলের অপরাধ তাঁহার উপরে বর্তাইয়াছেন।

৭তিনি উপদ্রুত হইলেন,

তবু দুঃখভোগ স্বীকার করিলেন,

তিনি মুখ খুলিলেন না;

মেষশাবক যেমন হত হইবার জন্য নীত হয়,

মেষী যেমন লোমচ্ছেদকদের সম্মুখে নীরব হয়,

সেইরূপ তিনি মুখ খুলিলেন না।

৮তিনি উপদ্রব ও বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন;

তৎকালীয়দের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে,

তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন?

আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল।

৯আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরূপণ করিল, 

এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন,

যদিও  তিনি দৌরাত্ম্য করেন নাই,

আর তাঁহার মুখে ছল ছিল না।

১০তথাপি তাঁহাকে চূর্ণ করিতে সদাপ্রভুরই মনোরথ ছিল;

তিনি তাঁহাকে যাতনাগ্রস্ত করিলেন,

তাঁহার প্রাণ যখন দোষার্থক বলি উৎসর্গ করিবে,

তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ু হইবেন,

এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে;

১১তিনি আপন প্রাণের শ্রমফল দেখিবেন, তৃপ্ত হইবেন;

আমার ধার্মিক দাস আপনার  জ্ঞান দিয়া অনেককে ধার্মিক করিবেন,

এবং তিনিই তাহাদের অপরাধ সকল বহন করিবেন।

১২এই জন্য আমি মহানদের মধ্যে তাঁহাকে অংশ দিব,

তিনি পরাক্রমীদের সহিত লুট বিভাগ করিবেন,

কারণ তিনি মৃত্যুর জন্য আপন প্রাণ ঢালিয়া দিলেন,

তিনি অধর্মীদের সহিত গণিত হইলেন;

আর তিনিই অনেকের পাপভার তুলিয়া লইয়াছেন,

এবং অধর্মীদের জন্য অনুরোধ করিতেছেন।

যীশুর ক্রুশবিদ্ধকরণ গীতরচকের দ্বারা অধ্যায় ২২ এ চিত্রিত করা হয় এবং এটা সুসমাচার বর্ণনার সাথে মারাত্মকভাবে মিলে যায়।

১ঈশ্বর আমার, ঈশ্বর আমার,

তুমি কেন আমাকে পরিত্যাগ করিয়াছ?

আমার রক্ষা হইতে ও আমার আর্তনাদের উক্তি হইতে কেন দূরে থাক?

২হে আমার ঈশ্বর, আমি দিবসে আহ্বান করি,

কিন্তু তুমি উত্তর দেও না;

রাত্রিতেও [ডাকি], আমার বিরাম হয় না।

৩কিন্তু তুমিই পবিত্র,

ইস্রায়েলের প্রশংসাকলাপ তোমার সিংহাসন।

৪আমাদের পিতৃপুরুষেরা তোমাতেই বিশ্বাস করিতেন;

তাঁহারা বিশ্বাস করিতেন, আর তুমি তাঁহাদিগকে উদ্ধার করিতে।

৫তাঁহারা তোমার নিকটে ক্রন্দন করিয়া রক্ষা পাইতেন,

তোমাতে বিশ্বাস করিয়া লজ্জিত হইতেন না।

৬কিন্তু আমি কীট, মানব নহি,

মনুষ্যদের নিন্দাস্পদ, লোকদের অবজ্ঞাত।

৭যাহারা আমাকে দেখে, সকলে আমাকে ঠাট্টা করে,

তাহারা ওষ্ঠ বাহির করিয়া মাথা নাড়িয়া বলে,

৮সদাপ্রভুর উপরে নির্ভর কর;

তিনি উহাকে উদ্ধার করুন;

উহাকে রক্ষা করুন, কেননা তিনি উহাতে প্রীত।

৯তুমিই ত জঠর হইতে আমাকে উদ্ধার করিলে;

যখন আমার মাতার স্তন পান করি,

তখন তুমি আমার বিশ্বাস জন্মাইলে।

১০গর্ভ হইতে আমি তোমার হস্তে নিক্ষিপ্ত;

আমার মাতৃজঠর হইতে তুমিই আমার ঈশ্বর।

১১আমা হইতে দূরে থাকিও না,

সঙ্কট আসন্ন, সাহায্যকারী কেহ নাই।

১২অনেক বৃষ আমাকে বেষ্টন করিয়াছে,

বাশনের বলবান বলদেরা আমাকে ঘেরিয়াছে।

১৩তাহারা আমার প্রতি মুখ খুলিয়া হা করে,

বিদারক সিংহ যেন গর্জন করিতেছে।

১৪আমি জলের ন্যায় সেচিত হইতেছি,

আমার সমুদয় অস্থি সন্ধিচ্যুত হইয়াছে,

আমার হৃদয় মোমের ন্যায় হইয়াছে,

তাহা অন্ত্রের মধ্যে গলিত হইয়াছে।

১৫আমার বল খোলার ন্যায় শুষ্ক হইতেছে,

আমার জিহ্বা তালুতে লাগিয়া যাইতেছে,

তুমি আমাকে মৃত্যুর ধূলিতে রাখিয়াছ।

১৬কেননা কুকুরেরা আমাকে ঘেরিয়াছে,

দুরাচারদের মণ্ডলী আমাকে বেষ্টন করিয়াছে;

তাহারা আমার হস্তপদ বিদ্ধ করিয়াছে।

১৭আমি আপন অস্থি সকল গণনা করিতে পারি;

উহারা আমার প্রতি দৃষ্টিপাত করে, চাহিয়া থাকে।

১৮তাহারা আপনাদের মধ্যে আমার বস্ত্র বিভাগ করে,

আমার পরিচ্ছদের জন্য গুলিবাঁট করে।

১৯কিন্তু হে সদাপ্রভু, তুমি দূরে থাকিও না;

হে আমার সহায়, আমার সাহায্য করিতে সত্বর হও।

২০উদ্ধার কর আমার প্রাণ খড়্‌গ হইতে,

আমার একমাত্র [আত্মা] কুকুরের হস্ত হইতে।

২১নিস্তার কর আমাকে সিংহের মুখ হইতে,

আর গবয়ের শৃঙ্গ হইতে- তুমি আমাকে উত্তর দিয়াছ।

২২আমি আমার ভ্রাতৃগণের কাছে তোমার নাম প্রচার করিব;

সমাজের মধ্যে তোমার প্রশংসা করিব।

২৩সদাপ্রভুর ভয়কারিগণ! তাঁহার প্রশংসা কর;

যাকোবের সমস্ত বংশ! তাঁহাকে সমাদর কর;

তাঁহাকে ভয় কর, ইস্রায়েলের সমস্ত বংশ!

২৪কেননা তিনি দুঃখীর দুঃখ উপেক্ষা বা ঘৃণা করেন নাই;

তিনি তাহা হইতে আপন মুখও লুকান নাই;

বরং সে তাঁহার কাছে কাঁদিলে তিনি শুনিলেন।

২৫মহাসমাজে তোমা হইতে আমার প্রশংসা জন্মে,

যাহারা তাঁহাকে ভয় করে,

তাহাদের সাক্ষাতে আমি আপন মানত সকল পূর্ণ করিব।

২৬নম্রগণ ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে,

সদাপ্রভুর অন্বেষীরা তাঁহার প্রশংসা করিবে;

তোমাদের অন্তঃকরণ নিত্যজীবী হউক।

২৭পৃথিবীর প্রান্তস্থিত সকলে স্মরণ করিয়া সদাপ্রভুর প্রতি ফিরিবে;

জাতিগণের সমস্ত গোষ্ঠী তোমার সম্মুখে প্রণিপাত করিবে।

২৮কেননা রাজত্ব সদাপ্রভুরই;

তিনিই জাতিগণের উপরে শাসনকর্তা।

২৯পৃথিবীস্থ সকল পুষ্ট লোক ভোজন করিয়া প্রণিপাত করিবে;

যাহারা ধূলিতে নামিতে উদ্যত,

তাহারা সকলে তাঁহার সাক্ষাতে জানু পাতিবে,

যে নিজ প্রাণ বাঁচাইতে অসমর্থ, সেও পাতিবে।

৩০এক বংশ তাঁহার সেবা করিবে,

প্রভুর সম্বন্ধে ইহা ভাবী বংশকে বলা যাইবে।

৩১তাহারা আসিবে, তাঁহার ধর্মশীলতা জ্ঞাত করিবে,

অনুজাত লোকদিগকে কহিবে, তিনি কার্যসাধন করিয়াছেন।

উপসংহারে আমি খ্রিস্টান ব্যাখ্যার প্রতি কঠোর সহানুভূতিশীল যে কোনও পক্ষপাতদুষ্টতা হ্রাস করতে আমার প্রমাণ পাঠ্য স্থাপনের জন্য এই পুরাতন নিয়মের উদ্ধৃতিগুলি ব্যবহার করতে সিদ্ধান্ত নিলাম।

 আশ্চর্যজনকভাবে অনেক ইহুদি যারা প্রথমে যিশুকে প্রত্যাখ্যান করেছিল তারা কেবল তানাখের মধ্যে পাওয়া এই পবিত্র বাক্যগুলো পড়ে তাঁর উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেছিল।  আমার স্ত্রী সেই সমস্ত আত্মসাক্ষ্যের মধ্যে একজন যা তিনি একসময় মসীহ হিসাবে যীশুর ব্যক্তিত্ব ও তাঁর কাজকে দৃঢ়তার সাথে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তবে নিকট পর্যবেক্ষণের পরে ঈশ্বর তাকে এই ধর্মগ্রন্থের অনুচ্ছেদ এবং যীশুর সাথে সম্পর্কের বিষয়ে সত্য সম্পর্কে নিশ্চিত করেছিলেন।

খ্রিস্টের রক্ষা কাজের প্রভাব দ্বারা রুপান্তরিত ও পরিবর্তিত লক্ষ লক্ষ জীবনের আত্মসাক্ষ্য দিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় কেউ এই মুক্তির ঘটানার ঐতিহাসিকতার তাৎপর্য বেছে নিয়েছে বা বিশ্বাস করতে চায় না তা নির্বিশেষে সত্য যাচাইযোগ্য।

আপনার কাছে আমার চ্যালেঞ্জ হল আপনি নিজের অপরাধবোধ নিয়ে কী করেন? ঈশ্বরের বিরুদ্ধে আপনি যে অপরাধ করেছেন সে সম্পর্কে কে আপনাকে উপস্থাপন করে? নরকের সমস্যাবলী এড়িয়ে গিয়ে আপনি কি স্বর্গীয় বাড়ি উপার্জনের জন্য যথেষ্ট কাজ করেছেন?

যীশু মানব পাপের দুশ্চিন্তা কমিয়ে দিয়ে বলেছেন, হে পরিশ্রান্ত ও ভারাক্রান্ত লোক সকল, আমার নিকটে আইস, আমি তোমাদিগকে বিশ্রাম দিব। আমার জোয়ালি আপন স্কন্ধে তুলিয়া লও, এবং আমার নিকটে শিক্ষা কর, কেননা আমি মৃদুশীল ও নম্রচিত্ত; তাহাতে তোমরা আপন আপন প্রাণের জন্য বিশ্রাম পাইবে। কারণ আমার জোয়ালি সহজ ও আমার ভার লঘু।

 

ঈশ্বরের সাথে কিভাবে সম্পর্ক রাখতে হয়-Bengali

হিন্দু সম্পদ

যিশু এবং ইসলাম

Was Jesus Crucified?

Leave a Reply